‘আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা’ বাক্যে ‘আমারে’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ত্রাণ করার কাজটি তুমি করবে কাকে? আমাকে। যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া হয় তা কর্ম। তাই এটি কর্মকারক।
Related Questions
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকেই কর্ম কারক বলে। ক্রিয়ার সাথে কি বা কাকে যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই কর্মকারক। যেমন: বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন। এখানে যদি প্রশ্ন করা হয়, বাবা কাকে কলম কিনে দিয়েছেন? তাহলে উত্তর পাই ‘আমাকে’। সুতরাং, ‘আমাকে’ হলো কর্মকারক। অথবা,
কর্মকারক ২ প্রকার। যথা: মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম।
সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক এবং গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়। যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।
আদালত একটি স্থান। স্থান বোঝালে অধিকরণ কারক হয়।
জব সলুশন