”সন্ধ্যাভাষা” কোন সাহিত্যকর্মের সঙ্গে যুক্ত?
চর্যাপদের ভাষাকে কেউ কেউ সন্ধ্যাভাষা বা সন্ধাভাষা বলেছেন যার অর্থ আলো আঁধারি ভাষা , যা কিছু বুঝা যায় কিছু বোঝা যায় না।
Related Questions
গঠননৈপুণ্যের দিক থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের অধিকাংশ পদই কৃষ্ণ-রাধা-বড়ায়ির সংলাপ ।
• কোনো কোনো পদ দুজনের উক্তি-প্রত্যুক্তি এবং রাধা বা কৃষ্ণের একান্ত মনোভাব প্রকাশ করে । যেহেতু কথোপকথনে মনোভাবের ঘাত-প্রতিঘাত প্রকাশ পেয়েছে তাই এগুলোকে গানে রচিত নাটকীয় সংলাপও বলা যায় ।
• রসগত দিক থেকে সমগ্র কাব্যজুড়ে ধামালি প্রধান হয়ে উঠেছে ।
• ধামালি কথাটির অর্থ রঙ্গরস, পরিহাস কাব্য কৌতুক ।
• রঙ্গ তামাসার কালে কপট দম্ভ প্রকাশ করে যে সব উক্তি করা হয়, প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে তাকে ধামালি বলে ।
• বড়ু চণ্ডীদাস তার বিবরণে লিখেছেন- 'রঙ্গে ধামালি বোলে দেব বনমালী' ।
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন অঙ্গিক বা গঠনগত দিকে দেব বনমালী' ।
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আঙ্গিক বা গঠনগত দিক থেকে নাটগীতি, প্রকরণে পদাবলি, শোণিত প্রেমগীতি ও রস সঞ্চালনায় ভূমিকা পালন করেছে ধামালি ।
একটি সার্থক বাক্যের তিনটি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা : ১. আকাঙ্ক্ষা : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য বাক্যে ব্যবহৃত একটি পদের পর অন্যপদ শোনার যে আগ্রহ জাগে তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। ২. আসত্তি : বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থের সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য সুশৃঙ্গল পদবিন্যাসকেই বলা হয় আসত্তি। ৩. যোগ্যতা : বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।
বাংলা 'অনা' প্রত্যয় যোগে √খেল্+অনা = খেলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে।
এরূপে গঠিত আরেকটি শব্দ হলোঃ
√দুল+অনা = দুলনা > দোলনা।
কিন্তু √কৃ+নক = কারক;
√লিখ্+ত = লিখিত;
√বিদ্+অন+আ = বেদনা সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
ব্যক্ত (সংকৃত) বিশেষণ পদ, অর্থ প্রকাশ পেয়েছে এমন, প্রকাশিত, স্পষ্ট, প্রকট । গূঢ় (সংস্কৃত) বিশেষণ পদ, অর্থ গুপ্ত, লুক্কায়িত, দুর্বোধ্য, জটিল । সুতরাং ব্যক্ত এর বিপরীত শব্দ গূঢ় । ত্যক্ত, গ্রাহ্য ও দৃঢ় শব্দের বিপরীত শব্দ যথাক্রমে গৃহীত, অগ্রাহ্য ও শিথিল ।
সদ্যঃ + জাত + সদ্যোজাত । অ - কারের পরস্থি স্ - জাত বিসর্গের পর ঘোষ অল্প প্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্যধ্বনি কিংবা অন্তস্থ ব,র,ল,হ থাকলে অ - কার ও স - জাত বিসর্গ উভয় স্থলে ও - কার হয়। যেমন - তিরঃ + ধান = তিরোধান , মনঃ + রম = মনোরম, তপঃ + বন = তপোবন ইত্যাদি।
'হ্ম' যুক্তবর্ণটি বিশ্লিষ্ট করলে হ্ + ম পাওয়া যায় । যেমন - ব্রহ্ম, ব্রাহ্মণ । ক্ষ = ক্ + ষ (উচ্চারণ ক্ + খ - এর মতো ) যেমন - শিক্ষা , বক্ষ, রক্ষা।
জব সলুশন