একটি ঘড়ি প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় হারায়। কতদিন পর ঘড়িটি এমন অবস্থায় পৌঁছাবে যখন ঘড়িটি সঠিক সময় নির্দেশ করবে?

ক) ৩৬
খ) ৭২
গ) ১২০
ঘ) কোনোটিই নয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

একটি ঘড়ি আবার সঠিক সময় তখনই দেখাবে যখন তার হারানো সময়ের মোট পরিমাণ ১২ ঘণ্টার সমান হবে। কারণ অ্যানালগ ঘড়ির চক্র ১২ ঘণ্টার।

আমরা জানি,
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট
∴ ১২ ঘণ্টা = ১২ × ৬০ = ৭২০ মিনিট
ঘড়িটি ১ দিনে সময় হারায় = ১০ মিনিট
সুতরাং, ৭২০ মিনিট সময় হারাতে সময় লাগবে = ৭২০ / ১০ = ৭২ দিন।

Related Questions

ক) আটলান্টিক ও ভু-মধ্যসাগর
খ) প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর
গ) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
ঘ) ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর
Note :

পানামা খাল আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে। মধ্য আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত এই কৃত্রিম জলপথটি ১৯১৪ সালে চালু হয়, যা জাহাজগুলোর জন্য দক্ষিণ আমেরিকার চারপাশ ঘুরে যাওয়ার দীর্ঘ পথকে অনেক সংক্ষিপ্ত করে দিয়েছে।

ক) থাইল্যান্ড
খ) মালয়েশিয়া
গ) মায়ানমার
ঘ) ইন্দোনেশিয়া
Note :

ঐতিহাসিকভাবে, থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ যা কখনও কোনো ইউরোপীয় বা অন্য কোনো বিদেশী শক্তির উপনিবেশে পরিণত হয়নি। দক্ষ কূটনৈতিক তৎপরতা এবং ভারসাম্যপূর্ণ নীতির মাধ্যমে তারা নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষা করেছিল। এছাড়াও, ইথিওপিয়া, জাপান, নেপাল, ভুটান এবং লাইবেরিয়াকেও কখনও উপনিবেশ না হওয়া দেশ হিসেবে ধরা হয়।

ক) তামা ও টিন
খ) তামা ও দস্তা
গ) তামা ও সীসা
ঘ) তামা ও নিকেল
Note :

সংকর ধাতু পিতল বা ব্রাস-এর প্রধান উপাদান হলো তামা (কপার) ও দস্তা (জিঙ্ক). সাধারণত পিতলে ৬৭% তামা এবং ৩৩% দস্তা থাকে, তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রভেদে এই অনুপাতে তারতম্য হতে পারে. 

ক) তরল পদার্থ
খ) বায়বীয় পদার্থ
গ) নরম পদার্থ
ঘ) কঠিন পদার্থ
Note :

তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় বায়বীয় পদার্থ। যে পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যতো কম, সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হবে। আর আমরা জানি, কঠিন বা তরল পদার্থের চেয়ে বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কম।

ক) কম হয়
খ) বেশি হয়
গ) একই হয়
ঘ) খুব কম হয়
Note :

রেগুলেটরের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- যখন বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরানোর জন্য বিদ্যুৎ প্রবাহ কমানো হয় তখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রেগুলেটরে তাপ সৃষ্টি করে।
- যার ফলে বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় কারণ সবসময় বিদ্যুৎ প্রবাহ একই থাকে।

ক) দর্পণের কাজ করে
খ) প্রিজমের কাজ করে
গ) লেন্সের কাজ করে
ঘ) আতসী কাঁচের কাজ করে
Note :

রংধনু বা রামধনু বা ইন্দ্রধনু হল একটি দৃশ্যমান ধনুকাকৃতি আলোর রেখা যা বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত জলকণায় সূর্যালোকের প্রতিফলন এবং প্রতিসরণের ফলে ঘটিত হয়। সাধারণত বৃষ্টির পর আকাশে সূর্যের বিপরীত দিকে রামধনু দেখা যায়।
-পূর্বাকাশে রংধনু দেখা যায় না সকালে।
-পশ্চিমাকাশে রংধনু দেখা যায় সকালে।
-আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারন বৃষ্টির কণা।রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে।
-রংধনুর সাত রংয়ের মধ্যে মধ্যম রং সবুজ।

জব সলুশন

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর-সিনিয়র স্টাফ নার্স 28-09-2026

পরমাণু শক্তি কমিশনের-মেডিকেল অফিসার (বিষয়ভিত্তিক ব্যতীত) 25-09-2026

বন অধিদপ্তর-ডেমনস্ট্রেটর (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) ২২-০৯-২০২৬

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর-অফিস সহায়ক 18-09-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন