'দহন' শব্দের বিশেষণ কোনটি?
‘দহন’ শব্দের বিশেষণ পদ হলো ‘দাহ্য’।
Related Questions
ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে ক্রিয়া-বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। যেমন: 'কর' (ধাতু) + 'ই' (বিভক্তি) = করি।
যোজক হলো এমন এক প্রকারের শব্দ যা দুটি পদ, বর্গ বা বাক্যকে সংযুক্ত করে, যেমন: 'এবং', 'কিন্তু', 'অথবা'। যেহেতু যোজক পদ, বর্গ, ও বাক্য—তিনটিকেই যুক্ত করতে পারে, তাই 'সবগুলো' সঠিক উত্তর।
অনুসর্গকে 'কর্মপ্রবচনীয়' বা 'পরসর্গ'ও বলা হয়। এই নামগুলো অনুসর্গের কাজকে নির্দেশ করে, যা বাক্যের বিভিন্ন পদের মধ্যে কর্ম বা সম্পর্ক স্থাপন করে।
বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে। পদগুলো মূলত ৯ ভাগ নতুন বোর্ড বই অনুসারে। পুরাতন বই অনুযায়ী সর্বনাম ১০ প্রকার। ১০ নম্বরটি হলো-ব্যতিহারিক সর্বনাম।
যথাঃ
১. ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনামঃ আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা।
২. আত্মবাচক সর্বনামঃ স্বয়ং, নিজ, আপনি।
৩. নির্দেশক সর্বনামঃ
নিকট নির্দেশক - এ, এই, ইনি, এরা, ইহারা।
দূর নির্দেশক - ও, উনি, ওই, ওরা ।
৪. অনির্দষ্ট সর্বনামঃ কেউ, কোথাও।
৫. প্রশ্নবাচক সর্বনামঃ কে, কারা, কার, কী ইত্যাদি।
৬. সাপেক্ষ সর্বনামঃ যারা-তারা, যেমন-তেমন ইত্যাদি।
৭. পারস্পারিক সর্বনামঃ পরস্পর ইত্যাদি।
৮. সকল/সাকুল্যবাচক সর্বনামঃ সব, সকল, সমস্ত ইত্যাদি।
৯. অন্যবাচক সর্বনামঃ অন্য, অপর, অমুক ইত্যাদি।
'শীত' (বা 'শীতল') হলো মূলত একটি বিশেষণ পদ। এই বিশেষণ পদের সাথে ভাববাচক তদ্ধিত প্রত্যয় 'য' (ষ্ণ্য) যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য পদ 'শৈত্য' গঠিত হয়েছে (শীত + য = শৈত্য)। অতএব, 'শৈত্য' (বিশেষ্য) পদের প্রকৃত বিশেষণ রূপ হলো 'শীত'।
জব সলুশন