টপিকঃ বাচ্য ও উক্তি

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free: 10 Qs

1. কোনটি ভাববাচ্যের উদাহরণ?

ক) এখন যাওয়া যায়
খ) বসন্তে কোকিল ডাকে
গ) বইটি পড়া হয়েছে
ঘ) আমি অপেক্ষা করব
Note :
'এখন যাওয়া যায়' বাক্যটিতে 'যাওয়া' ক্রিয়ার ভাবই প্রধান এবং কর্তা এখানে নির্দিষ্ট নয়। এটি ভাববাচ্যের একটি আদর্শ উদাহরণ। 'বসন্তে কোকিল ডাকে' এবং 'আমি অপেক্ষা করব' কর্তৃবাচ্য, আর 'বইটি পড়া হয়েছে' কর্মবাচ্য।

2. “আমার বই পড়া হয়েছে”- বাক্যটির কর্তৃবাচ্য রূপ হচ্ছে-

ক) আমি বই পড়ছি
খ) আমরা বই পড়েছি
গ) আমি বই পড়তে যাচ্ছি
ঘ) আমি বই পড়েছি
Note :
'আমার বই পড়া হয়েছে' একটি কর্মবাচ্য (পুরাঘটিত বর্তমান কাল)। এর কর্তৃবাচ্য করতে হলে কর্তাকে (আমার) প্রথমা বিভক্তিতে (আমি) আনতে হবে এবং ক্রিয়াপদকে কর্তার অনুসারী করতে হবে। তাই সঠিক কর্তৃবাচ্য রূপ হলো 'আমি বই পড়েছি'।

3.

নিচের কোনটি ভাববাচ্যের উদাহরণ ?

ক) আমি আর গেলাম না
খ) এবার মাছ ধরা যাক
গ) আম বোধ হয় পেঁকেছে
ঘ) কুকুর লোকটিকে কামড়ালো
Note :

'এবার মাছ ধরা যাক'—এই বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট কর্তা নেই এবং 'ধরা' ক্রিয়াটি সম্পন্ন করার প্রস্তাব বা ভাবটিই প্রধান। তাই এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ। অন্য বাক্যগুলো কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ।

4.

'তোমার কখন আসা হলো'- এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?

ক) ভাববাচ্য
খ) কর্তৃবাচ্য
গ) কর্মবাচ্য
ঘ) কর্তৃভাববাচ্য

5. নিচের কোন বাক্যটি ভাববাচ্যের?

ক) আমি ভাত খেয়েছি
খ) আমার ভাত খাওয়া হয়েছে
গ) আমাকে ভাত দেওয়া হয়নি
ঘ) তোরা সব ভাতের যোগাড় কর
Note :
ভাববাচ্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধান। 'আমাকে ভাত দেওয়া হয়নি'—এই বাক্যে 'দেওয়া' ক্রিয়ার ভাবটিই মুখ্য। এখানে কর্তা (কে দেয়নি) উহ্য এবং কর্ম (ভাত) থাকলেও ক্রিয়ার প্রাধান্য থাকায় এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ। অন্য বাক্যগুলো কর্তৃবাচ্য ও কর্মবাচ্যের।

6. যে বাচ্যের কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কোন বাচ্য বলে?

ক) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
খ) কর্মবাচ্য
গ) ভাববাচ্য
ঘ) কর্তৃবাচ্য
Note :
প্রশ্নোক্ত সংজ্ঞাটি ভাববাচ্যের। ভাববাচ্যে কোনো কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার ভাবই মূল বিষয়। কর্তা অপ্রধান হয় এবং ক্রিয়াটি সর্বদা নাম পুরুষের রূপে থাকে। যেমন: 'আমার যাওয়া হবে না'।

7.

'চাঁদ দেখা যাচ্ছে' এই বাক্যে কোন বাচ্যের প্রয়োগ ঘটেছে?

ক) ভাববাচ্য
খ) কর্তৃবাচ্য
গ) কর্মবাচ্য
ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য

8. বাচ্য প্রধানত কয় প্রকার?

ক) ৩ প্রকার
খ) ৪ প্রকার
গ) ৫ প্রকার
ঘ) ৬ প্রকার
Note :
বাংলা ব্যাকরণে বাচ্য বা বাক্যের প্রকাশভঙ্গি প্রধানত তিন প্রকার: ১. কর্তৃবাচ্য (Active Voice), ২. কর্মবাচ্য (Passive Voice), এবং ৩. ভাববাচ্য (Impersonal Voice)। কর্মকর্তৃবাচ্যকে অনেকে একটি আলাদা প্রকার হিসেবে গণ্য করলেও, এটি মূলত কর্মবাচ্যেরই একটি রূপ। তাই প্রধান প্রকার তিনটি।

9. 'ডিঙি টেনে বের করতে হবে।'- কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?

ক) কর্মবাচ্য
খ) ভাববাচ্য
গ) যৌগিক
ঘ) কর্মকর্তৃবাচ্য
Note :
বাক্যটিতে 'বের করা' ক্রিয়ার ভাব বা প্রয়োজনীয়তাকেই প্রধান করে দেখানো হয়েছে। এখানে কর্তা উহ্য এবং কাজটি করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তাই এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ। 'ডিঙি' কর্ম হলেও বাক্যের মূল ফোকাস কর্মের ওপর নয়, বরং ক্রিয়ার ওপর।

10.

'তুমি বেড়ালে।' এ বাক্যের ভাববাচ্যে রূপান্তর—

ক) তোমার বেড়ানো হলো
খ) তোমার বেড়ানো শেষ
গ) তুমি বেরিয়ে এলে
ঘ) তোমা কর্তৃক বেড়ানো হলো
Note :

কর্তৃবাচ্য 'তুমি বেড়ালে' বাক্যটিকে ভাববাচ্যে রূপান্তর করতে হলে কর্তাকে ষষ্ঠী বিভক্তিতে ('তোমার') এবং ক্রিয়াকে ভাববাচক বিশেষ্য ('বেড়ানো') রূপে ব্যবহার করতে হয়। তাই সঠিক রূপান্তর হলো 'তোমার বেড়ানো হলো'।

You've reached the free limit!

You can only see 10 questions with free access.

Login to upgrade