নিচের কোন ভৌগোলিক এলাকাটি “রামসার সাইট” হিসেবে স্বীকৃত?

ক) রামসাগর
খ) বগা লেইক (Lake)
গ) টাঙ্গুয়ার হাওর
ঘ) কাপ্তাই হ্রদ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বিশ্বব্যাপী জৈবপরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রয়াস হলো 'রামসার কনভেনশন' । ১৯৭১ সালে ইরানের রামসারে অনুষ্ঠিত বিশ্বের বিভিন্ন দেশসমূহের এ কনভেনশনের আলোকে বাংলাদেশের ২টি স্থানকে 'রামসার এলাকা (Ramsar site)' হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে । সাইট দু'টি হলো- সুন্দরবন (২১ মে ১৯৯২) এবং টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) । 

Related Questions

ক) উষ্ণতা
খ) আর্দ্রতা
গ) সমুদ্রস্রোত
ঘ) বায়ুপ্রবাহ
Note :

কোনো স্থানের বায়ূর তাপ, বায়ূর চাপ, বায়ূর আর্দ্রতা, বায়ূপ্রবাহ এবং বারিপাত বা অধঃক্ষেপ হলো আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান । অন্যদিকে জলবায়ুর নিয়ামক অর্থাৎ যেসকল অবস্থা জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- সমুদ্রস্রোত, অক্ষাংশ, বৃষ্টিপাত, উচ্চতা, পর্বতের অবস্থান ইত্যাদি ।

ক) সাভানা
খ) তুন্দ্রা
গ) প্রেইরি
ঘ) সাহেল
Note :

সাহেল বা সহিল পশ্চিম আফ্রিকার একটি অঞ্চল, যা উত্তরের মরুময় সাহারা এবং দক্ষিণের আর্দ্র ক্রান্ত্রীয় অঞ্চলের মধ্যবর্তী একটি পরিবর্তনশীল অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে উত্তর আমেরিকার মধ্য অক্ষাংশের অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত তৃণভূমিকে প্রেইরি বলে। আর সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের মধ্যবর্তী অঞ্চল যা প্রায় সারা বছর বরফাচ্ছন্ন থাকে তাকে তুন্দ্রা অঞ্চল বলে।

ক) চাঁদপুর
খ) পিরোজপুর
গ) মাদারীপুর
ঘ) গাজীপুর
Note :

গাজীপুর জেলাতে প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমি (বিশেষ করে মধুপুর গড়ের অংশ) রয়েছে। বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিন কালের চত্বরভূমিগুলো মূলত বরেন্দ্র ভূমি, মধুপুর গড় এবং লালমাই পাহাড় হিসেবে পরিচিত। 

ক) ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু
খ) ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
গ) উপক্রান্তীয় জলবায়ু
ঘ) আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু
Note :

বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজমান । কিন্তু মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এ দেশের জলবায়ুর উপর এত বেশি যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু, 'ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু' নামে পরিচিত। উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল এ জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।

ক) বন্যা নিয়ন্ত্রণ
খ) পানি নিষ্কাশন
গ) পানি সেচ
ঘ) উপরের তিনটি (ক, খ ও গ)
Note :

বাংলাদেশের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত এফসিডি আই প্রকল্পের পূর্ণরূপ হলো- 'বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিস্কাশন ও সেচ প্রকল্প (Flood Control, Drainage and Irrigation Projects)' । প্রধানত বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয় ।

ক) টারশিয়ারী যুগে
খ) প্লািইস্টোসিন যুগে
গ) কোয়াটারনারী যুগে
ঘ) সাম্প্রতিক কালে
Note :

ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বা প্রাচীন ভূমিরূপ হলো দক্ষিণ-পূর্ব এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি । টারশিয়ারী যুগে হিমালয় পর্বত উথিত হওয়ার সময় এ পাহাড়সমূহ সৃষ্টি হয়েছিল । রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্রগ্রাম জেলার পূর্বাংশ ছাড়াও ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়ি ভূমি টারশিয়ারী যুগের ভূমিরূপের অন্তর্ভুক্ত ।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর-সিনিয়র স্টাফ নার্স 28-09-2026

পরমাণু শক্তি কমিশনের-মেডিকেল অফিসার (বিষয়ভিত্তিক ব্যতীত) 25-09-2026

বন অধিদপ্তর-ডেমনস্ট্রেটর (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) ২২-০৯-২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন